শহীদ নুরুল ইসলামের মায়ের মৃত্যুতে শ্রদ্ধা জানাতে খাদ্যমন্ত্রী
১৯৬৬ সালে ১৭ই ফেব্রুয়ারি খাদ্য আন্দোলনে পুলিশের ছোড়া গুলিতে তেঁতুলিয়া হাইস্কুলের সামনে বছর ১১ এর স্কুল ছাত্র নুরুল ইসলাম মারা যান। তারপর থেকে শহীদ নুরুল কে নিয়ে তৎকালীন বামফ্রন্ট নুরুলের মৃতদেহ নিয়ে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে আন্দোলনের ডাক দেয়। এই আন্দোলনের মধ্য দিয়ে বামফ্রন্ট ক্ষমতায় এসেছিল। পশ্চিমবাংলায় তারপর বহু বছর কেটে গিয়েছে কিন্তু শহীদ নুরুল ইসলাম এবং তার পরিবার তৎকালীন সরকারের কাছ থেকে কিছু পায়নি বলে এমনটাও দাবি করেছেন শহীদ নুরুল এর মা আছিয়া বিবি ও তার পরিবার। এরপর তৃণমূল কংগ্রেস ২০১১সালে ক্ষমতায় আসার পরে শহীদ নুরুলের মা আছিয়া বিবি ছাড়া পরিবারের সমস্ত ছেলেমেয়ে এবং নুরুলের দাদা সুরত আলী মোল্লা সহ সবাইকে সব কিছুর দায়ভার নেয় তৃণমূল সরকার। তারপর থেকে এই শহীদের পরিবারের পাশে রাজ্য সরকার বারবার দাঁড়িয়েছে। সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পের ঘর থেকে চাকুরি ছাড়াও বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা তারা পেয়েছেন এই সরকারের কাছ থেকে। তার জ্বলন্ত উদাহরণ মমতা বন্দোপাধ্যায় কলকাতার জনসভায় নুরুলের মায়ের উপস্থিতি। শেষ পর্যন্ত ৮০ বছর বয়সে শহীদ নুরুল ইসলামের বীরাঙ্গনা মা আছিয়া বিবি মোল্লা বার্ধক্যজনিত রোগে বসিরহাটের স্বরূপনগর থানার দলদার পাড়ায় বুধবার সকাল ৬টা নাগাদ মৃত্যু হয়। খাদ্য আন্দোলনের প্রথম শহীদ নুরুল ইসলামের মা বার্ধক্য জনিত রোগে প্রয়াত।
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশেই তাঁর বাড়িতে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করতে বুধবার সাড়ে বারোটা নাগাদ আসেন রাজ্যের খাদ্য ও সরবরাহ মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক , উত্তর ২৪ পরগনা জেলা পরিষদের কর্মদক্ষ নারায়ন গোস্বামী ও উত্তর ২৪ পরগনা জেলা পরিষদের সভাধিপতি বিনা মন্ডল। পাশাপাশি তার পরিবারের লোককে রাজ্য সরকারের তরফে আর্থিক সাহায্যও করেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক।