হলদিয়ায় ত্রাণ বিলি

জুলফিকার আলি, 
  

হলদিয়া সাংবাদিক সংগঠন, পুলিশ প্রশাসন এর উদ্যোগ এ গরীবদের খাদ্যসামগ্রী বিলি।

 কলকারখানা, যানবাহন, দোকানপাট, হোটেল  সমস্ত কিছু একেবারেই বন্ধ। এমন পরিস্থিতিতে দিন আনা দিন খাওয়া মানুষের একেবারে করুন অবস্থা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফলে দীন দরিদ্র মানুষ এক বেলা খেতে পেলে অপরবেলা কি খাবে তা নিয়ে ভাবতে হচ্ছে। হলদিয়া য় নুতন করে ৪জন করোনা পজিটিভ রোগীর সন্ধান পাওয়ার পর এলাকায় আতঙ্ক রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে এবার এগিয়ে এলো পূর্ব মেদিনীপুর জেলার হলদিয়া সংবাদপত্র ফোরামের সাংবাদিকগন,পুলিশ  প্রশাসন।কথা ছিল, বাড়ি বাড়ি গিয়ে ত্রান পৌঁছাবে হলদিয়া সংবাদপত্র ফোরামের সদস্যরা ও প্রশাসন।তার মাঝে প্রবল ঝড় বৃষ্টি বজ্রপাত।  কিন্তু ত্রান মজুত জায়গায় এসবকে উপেক্ষা করেই ছুটে এলো গ্রামবাসীরা। মঙ্গলবার  দূর্গাচক থানা  এলাকার ৬টি গ্রামের দুস্থ  প্রায় ২১০ জনের হাতে খাদ্যসামগ্রী তুলে দেওয়া হয় ফোরামের তরফ থেকে।   সরকারি নিয়ম মেনে হাতে স্যানিটাইজার মুখে মাক্স পরিয়ে,এদিন চাল ডাল সহ বিভিন্ন  খাদ‍্যসামগ্রী বিলি করা হয়। 
প্রকতির  দূর্যোগ ও করোনা আতঙ্ক উপেক্ষা করে মানুষ ত্রান নিতে এসেছে। বিতরনের জটিলতাকে সহজ করে ত্রান নিল গ্রামবাসী।
 দূর্গাচক থানার অফিসার নির্মল প্রধান বলেন, "লকডাউনের সময় খেটে খাওয়া মানুষের একেবারে করুন অবস্থা হয়ে দাঁড়িয়েছে। হঠাৎ বজ্রবিদ্যুৎ, ভারী বৃষ্টি উপেক্ষা করে গ্রামবাসী ছুটে এসেছে ত্রান গ্রহন করতে।এমন পরিস্থিতিতে দুঃস্থ মানুষদের হাতে হলদিয়া সংবাদপত্র ফোরামের সহোযগিতায় আমরা খাদ্যসামগ্রী তুলে দিলাম বললেন পুলিশ প্রশাসন।  তবে সাংবাদিক ও পুলিশের  যৌথ প্রয়াসের মানবিক উদ্যোগকে খুবই প্রশংসা করে স্থানীয় এলাকার বাসিন্দারা। 



এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

আরামবাগ টিভির তিন সাংবাদিক গ্রেপ্তারের বিস্তারিত রিপোর্ট তলব হাইকোর্টের

মৃতার পরিবার কে দ্রুত আর্থিক ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ হাইকোর্টের

হাড়োয়া পুলিশের প্রচেষ্টায় মাধ্যমিক পরীক্ষা দিতে পারলো এক ছাত্রী